সোমবার, ১৪ মে, ২০১২

সড়ক র্দুঘটনায় মৃত্যু এবং গণপরবিহন ব্যবস্থার করুণ হাল




ড. হারুন রশীদ
সারাক্ষণ যাঁরা সংবাদরে পছেনে ছোটনে তাঁরা নজিরোই এখন সংবাদ শরিোনাম হচ্ছনে। তাও কোন সুসংবাদ নয়। কছিুদনি পর পরই বয়িোগান্তক সংবাদরে শরিোনাম হচ্ছনে সাংবাদকিরা। এ প্রবণতা কি চলতইে থাকব?ে সাংবাদকি দনিশে দাস, বলোল হোসনেরে শোকরে বদেনা বলিীন না হতইে আবারও র্দুঘটনায় পততি হয়ে প্রাণ হারালনে সাংবাদকি বভিাস চন্দ্র সাহা এবং বরশিালরে ‘মতবাদ’ পত্রকিার আলোচত্রিী শহীদুজ্জামান। বভিাস মোটারসাইকলে চালয়িে যাচ্ছলিনে। দ্রুতগতরি বাস পছেন থকেে চাপা দলিে ঘটনাস্থলইে তাঁর মৃত্যু হয়। আর শহীদুজ্জামান রক্সিা করে যাচ্ছলিনে। তাঁকে বহনকারী রক্সিাকে একটি বাস সজোরে ধাক্কা দলিে তনিি ছটিকে পড়ে যান। এরপর বাস তাঁকে পষ্টি করে চলে যায়। শুধু তাই নয়, শুক্রবাররে আরও ক’টি র্দুঘটনায় ঝরে গলে ২০টি প্রাণ। প্রশ্ন হচ্ছ,ে এই মৃত্যুর মছিলি কত বড় হলে র্কতৃপক্ষরে টনক নড়ব?ে সড়ক র্দুঘটনায় মৃত্যু একটি পরবিারে শুধু গভীর শোক-ক্ষত সৃষ্টি করে না, র্আথকিভাবওে পঙ্গু করে ফলেে ওই পরবিারক।ে কোন কোন র্দুঘটনায় যখন পরবিাররে একমাত্র উর্পাজনক্ষম ব্যক্তটিি প্রাণ হারান তখন ওই পরবিাররে যে কি অবস্থা হয়, তা বলার অপক্ষো রাখে না। তবু প্রতকিারহীনভাবে চলতে থাকবে সব কছিু। আমরা কে কখন যে বপেরোয়া বাসরে চাকায় পষ্টি হবো তার কোন গ্যারান্টি নইে। 
গণমাধ্যমরে রপর্িোট অনুযায়ী খোদ রাজধানীতইে রয়ছেে ৫১টি মৃত্যুফাঁদ। সারাদশেে ২০৯ট।ি এসব স্পটে ঘটছে বশেরিভাগ সড়ক র্দুঘটনা। মুর্হূতইে নভিে যাচ্ছে মানুষরে জীবন প্রদীপ। পঙ্গুত্ব বরণ করছনে অনকে।ে আর দশেে অবধৈ চালকরে সংখ্যা প্রায় সাত লাখ। শুধু রাজধানীতইে দাবড়ে বড়োচ্ছে এক লাখরে বশেি অবধৈ চালক। সব মলিয়িে দশেে অবধৈ পরবিহন চালকরে সংখ্যা ৬১ ভাগ। বুয়টেরে এ্যাক্সডিন্টে রসর্র্িাচ ইনস্টটিউিট (আইআরআই) সম্প্রতি এক গবষেণায় এ তথ্য প্রকাশ কর।ে এ অবস্থায় মৃত্যুদূত ঠায় দাঁড়য়িে হাতছানি দচ্ছিে প্রতদিনি। 
॥ দুই ॥
অন্যদকিে অসহনীয় র্দুভােগরে কারণ হয়ে উঠছে গণপরবিহন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা। শুধু তাই নয়; ভোগান্তরি তালকিা দনি দনি র্দীঘতর হচ্ছ।ে পরস্থিতিি এমন দাঁড়য়িছেে যে এখানকার পরবিহন ব্যবস্থা, ট্রাফকি ব্যবস্থাপনা, রাস্তার র্সাবকি পরস্থিতিি ক্রমইে নয়িন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছ।ে যাচ্ছতোইভাবে সবকছিু চলাটাই যনে অনকেটা রওেয়াজে পরণিত হয়ছে।ে 
সমস্যা যে হারে বাড়ছে সমাধান সে গততিে হচ্ছে না। গণপরবিহনরে অব্যবস্থাপনা অসহনীয় র্পযায়ে পৗেঁছছেে অনকে আগইে। কোথাও যাওয়ার জন্য নাগরকিদরে রাস্তায় নমেইে এক বব্রিতকর পরস্থিতিতিে পড়তে হয়। গন্তব্যে যাওয়ার জন্য তাড়া আছে কন্তিু যানবাহনরে তীব্র সঙ্কট। অফসিে যাওয়া, বাচ্চার স্কুল, বয়ি-েদাওয়াত র্পাটতিে যাওয়া এমনকি রোগী নয়িে হাসপাতালে যাওয়াÑপ্রয়োজনীয় কোন গন্তব্যইে যে সময়মতো পৗেঁছানো যাবে তার কোন গ্যারান্টি নইে। বাসে উঠতে গলেে তলি ধারণরে ঠাঁই নইে। ট্যাক্সক্যিাব অপ্রতুল, ভাড়াও অতরিক্তি। সএিনজচিালতি অটোরকিশা মটিারবহর্ভিূত অধকি ভাড়া নয়িওে প্রয়োজনীয় গন্তব্যে যতেে নারাজ। এর বাইরে বকিল্প যানবাহনও অপ্রতুল। এ অবস্থায় মানুষজনরে ভোগান্তরি কোন সীমা-পরসিীমা নইে। যানজটরে কারণে তো রাজধানী স্থবরি হয়ে থাকে অধকিাংশ সময়। একটি দশেরে রাজধানীর র্কমচঞ্চলতা যদি এভাবে রাস্তাতইে নষ্ট হয় তাহলে সইে দশেরে ভূতভবষ্যিত যে ক;ি তা কি আর বলার অপক্ষো রাখ।ে
রাজধানীতে দনি দনি জনসংখ্যা বড়েে চলছ।ে সইে সঙ্গে পাল্লা দয়িে বাড়ছে গাড়।ি কন্তিু সে তুলনায় রাস্তাঘাট বাড়ছে না। ফলে যানজট এক অনবর্িায বাস্তবতা হসিবেে দখো দয়িছে।ে এছাড়া ট্রাফকি ব্যবস্থা ঠকিমতো কাজ না করায় যানজট থকেে মুক্তি পাচ্ছে না রাজধানীবাসী। যানজট নয়িন্ত্রণে কঠোর ট্রাফকি আইনরে প্রয়োগ, প্রাইভটে গাড়রি ওপর নয়িন্ত্রণ, যত্রতত্র র্পাকংি নষিদ্ধি, রলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নদীপথ এবং ঢাকার ভতেররে খাল দখলমুক্ত করে নৌপথরে উন্নয়ন, রকিশামুক্ত সড়কসহ নানা পরকিল্পনার কথা বলা হয়। এগুলো নয়িে কথার্বাতা যতটা হয় কাজ যে ততটা হয় না তা যানজটরে র্বতমান হালই বলে দচ্ছি।ে
যানজট এখন এমন এক অবস্থায় পৗেঁছছেে যে এ থকেে পরত্রিাণরে উপায় খুঁজে বরে করতে হব।ে যানজট র্বতমান নগরবাসীকে স্থবরি ও অচল করে রখেছে।ে এই অবস্থা র্দীঘায়তি হলে এর সুদূরপ্রসারী নতেবিাচক ফলাফল হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। এজন্য পরবিহন খাতে একটি স্বস্তদিায়ক পরস্থিতিি ফরিয়িে আনা অত্যন্ত জরুরী। এ জন্য অবকাঠামো, সুশাসন, অযান্ত্রকি পরবিহন, পরবিহনরে পরর্দিশন ও ব্যবস্থাপনা, ড্রাইভংি লাইসন্সেরে ক্ষত্রেে গুণগত পরর্বিতন ও স্বাস্থ্যগত বষিয় নয়িে ভাবতে হব।ে পরবিহন সক্টেরে নরৈাজ্য বন্ধ এবং একটি সুষ্ঠু-প্রতযিোগতিামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত পরবিহন বআিরটসিকিে সচল করতে হব।ে 
ঢাকার গণপরবিহন ব্যবস্থায় এক অরাজক অবস্থা বরিাজ করছ।ে দশেে যদি সত্যকিার র্অথে গণপরবিহন বলে কছিু থাকত তাহলে বসেরকারী বাস মালকিরা এই নরৈাজ্যকর অবস্থা তরৈি করতে পারত না, সটেি বলার অপক্ষো রাখে না। সবচয়েে দুঃখজনক হচ্ছ,ে গণপরবিহন ব্যবস্থা গড়ে উঠতওে এই চক্র প্রবল বরিোধতিা কর।ে বাংলাদশে সড়ক পরবিহন সংস্থার (বআিরটসি)ি বাস চলাচলওে চরম অসহযোগতিা করে পরবিহন খাতে একচটেয়িা প্রাধান্য বজায় রাখছে বসেরকারী পরবিহন ব্যবসায়ীরা। এর ফলে যাত্রী ভোগান্তরি কোন সীমা-পরসিীমা নইে। অপরদকিে বআিরটসিি নজিওে যনে ধুঁকে ধুঁকে মরছ।ে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতষ্ঠিানটি চরম অব্যবস্থাপনা ও র্দুনীতরি কারণে ক্রমাগত লোকসানি প্রতষ্ঠিানে পরণিত হয়ছে।ে বআিরটসিি বকিল্প পরবিহন ব্যবস্থা হসিবেে দাঁড়াতে র্ব্যথ হয়ছে।ে এতওে জনসাধারণরে ভোগান্তি বড়েছে।ে একটি সুষ্ঠু-প্রতযিোগতিামূলক ব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় বসেরকারী পরবিহন মালকিরা ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছ।ে পরবিহন খাতকে নানাভাবে জম্মিি করে রাখছ।ে এ অবস্থা থকেে উত্তরণরে জন্য বআিরটসিকিে সচল করার কোন বকিল্প নইে। কন্তিু কাজটি যে অতটা সহজ নয় তা তো এর আগরে ঘটনাপ্রবাহ থকেইে পরষ্কিার। বআিরটসিকিে কোনঠাসা করতে বসেরকারী পরবিহন মালকিরা এককাট্টা। বগিত তত্ত্বাবধায়ক সরকাররে সময় উত্তরাঞ্চলে বআিরটসিরি র্সাভসি চালু হলে ওই অঞ্চলরে মানুষজনরে কাছে তা ব্যাপক সমাদৃত হয়। কন্তিু বসেরকারী পরবিহন মালকিদরে তা চক্ষুশূলরে কারণ হয়। তারা জনপ্রয়ি এ র্সাভসি বন্ধে নানা ধরনরে তা-ব চালায়। এমনকি র্ধমঘট ডকেে অচলাবস্থার সৃষ্টি কর।ে অবশষেে সরকার পছিু হটতে বাধ্য হয়। অথচ ১৯৬১ সালরে অধ্যাদশে বলে রাষ্ট্রীয় পরবিহন প্রতষ্ঠিান হসিবেে বআিরটসিরি বাস দশেরে যে কোন স্থানে চলাচলরে অধকিার রাখ।ে সরকার দশেে স্বল্পমূল্য,ে দ্রুত, দক্ষ, আরামপ্রদ, আধুনকি ও নরিাপদ সড়ক পরবিহন ব্যবস্থা নশ্চিতি করার লক্ষ্য নয়িে ’৮০-এর দশকে বআিরটসিি বাস সবো চালু কর।ে এর পর থকেইে প্রতষ্ঠিানটরি পছেনে নানা কুচক্রী মহলরে দৃষ্টি পড়।ে ২০০৪ সালে তৎকালীন জোট সরকাররে যোগাযোগমন্ত্রী বসেরকারী পরবিহন মালকি-শ্রমকিদরে সঙ্গে এক চুক্তি করনে। পরর্বতীতে এই চুক্তরি দোহাই দয়িে পরকিল্পতিভাবে বভিন্নি রুট থকেে বআিরটসিরি বাস উঠয়িে দয়ো হয়।
রাজধানীতওে বআিরটসিরি পরবিহন সবো ক্রমে ক্রমে সীমতি হয়ে আসছ।ে যদওি প্রতটিি সরকার এসইে নতুন করে বআিরটসিকিে ঢলেে সাজানোর চষ্টো কর।ে র্বতমান সরকারও কয়কে দফা বআিরটসিরি নতুন বাস রোডে নামায়। কন্তিু কছিুদনি না যতেইে অজানা কারণে এগুলো অর্কাযকর হয়ে পড়।ে দোতলা ভলভো বাসে সামান্য ত্রুটি দখো দলিইে তা মরোমত না করে বন্ধ করে দয়ো হয়। বাস মরোমতরে চয়েে নতুন বাস কনোর দকিইে আগ্রহ বশেি বআিরটসিি র্কতৃপক্ষরে। এতে টুপাইস কামানো যায়। তাছাড়া গণহারে লজি দয়োর ফলওে বআিরটসিতিে চলছে যাচ্ছতোই কারবার।
আসলে মুক্ত বাজাররে নামে বসেরকারী পরবিহন মালকি- শ্রমকিরা এখন পরবিহন খাতকে জম্মিি করে ফলেছে।ে এ অবস্থা থকেে উদ্ধার পতেে হলে বআিরটসিকিে সচল করার কোন বকিল্প নইে। সারাদশেে বআিরটসিরি বাস চলতে দতিে হবে প্রয়োজনীয় সংখ্যায়। বশিষে করে রাজধানীতে বাসরে সংখ্যা বাড়ানো একান্ত অপরহর্িায। জনর্স্বাথে বআিরটসিকিে সচল করা এবং একটি সুষ্ঠু- প্রতযিোগতিামূলক গণপরবিহন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এখন সময়রে দাব।ি
ঢাকার রাস্তায় একই সঙ্গে চলছে বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভটেকার, সএিনজচিালতি অটো, রকিশাসহ বভিন্নি ধরনরে যানবাহন। ফলে এক জগাখচিুড়ি অবস্থার কারণে যানজট এখানে নমৈত্তিকি ব্যাপার হয়ে দাঁড়য়িছে।ে এ জন্য একটি সুসমন্বতি পরকিল্পনা নয়িে এগুনো প্রয়োজন। সড়কপথরে উন্নয়নরে পাশাপাশি ঢাকার চারপাশরে নৌপথ চালু করা দরকার। নৌপথে যাতায়াত অপক্ষোকৃত সস্তা এবং স্বস্তদিায়কও বট।ে এ জন্য বুড়গিঙ্গা, তুরাগসহ অন্যান্য নদীর দখল দূষণ বন্ধ করতে হব।ে ঢাকার খালগুলো পুনরুদ্ধার করে সগেুলোতওে নৌরুট চালু করা যায়। এছাড়া মট্রেো রলে চালু করওে রাজধানীর গণপরবিহনরে চাহদিা অনকেটাই মটোনো সম্ভব। গণপরবিহনরে অব্যবস্থাপনা এবং যানজট দূর করে স্থবরি ঢাকাকে বদলে না দতিে পারলে দশেরে কাক্সক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে স্বল্প ও র্দীঘময়োদী নানামুখী পদক্ষপে গ্রহণ করতে হব।ে
॥ তনি ॥
গণপরবিহন ব্যবস্থার করুণ হাল, যানজট তার ওপর পদে পদে র্দুঘটনা মানুষকে বক্ষিুব্ধ করে তুলছ।ে বশিষে করে রাজধানীতে র্দুঘটনায় প্রাণহানরি ঘটনা আশঙ্কাজনকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষরে মধ্যে ক্ষোভরে সৃষ্টি হয়ছে।ে শুক্রবাররে র্দুঘটনায় দুই সাংবাদকিরে নহিত হয়ছেনে। তার পরবিার আশ্বস্ত হতে পারছে না যে এই মৃত্যুর কোন বচিার হব।ে র্দুঘটনায় পততি বাসরে দু’জন ড্রাইভারকে আটক করা হলওে একজন জামনিে বরেয়িে গছে।ে অন্যজনরেও জামনি হব।ে কারণ, এক্ষত্রেে আইনরে অপ্রতুলতা ও সীমাবদ্ধতা রয়ছে।ে র্বতমান আইনে এ্যাক্সডিন্টে করা ড্রাইভাররে অপরাধ জামনিযোগ্য। এবং দোষ প্রমাণতি হলে তার র্সবােচ্চ শাস্তি মাত্র তনি বছররে জলে। এরশাদ আমলে এই শাস্তি ছলি ১০ বছর। জনদাবরি মুখে সইে শাস্তি বাড়য়িে যাবজ্জীবন করার জন্য উদ্যোগ নয়ো হয়। কন্তিু পরবিহন শ্রমকিদরে তীব্র বরিোধতিার মুখে তা সম্ভব হয়ন।ি পরে এটা পাঁচ বছর করা হয়। পরহিাস হচ্ছ,ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমএ মতনিরে ছলেরে গাড়ি চাপায় ছড়াকার বাপ্পী শাহরয়িাররে মৃত্যু হলে তার শাস্তি যাতে কম হয় এ জন্য তা তনি বছরে নাময়িে আনা হয়। র্বতমান আইন অনুযায়ী একটি বাঘ মারলে তার দশ বছর শাস্তি হব।ে কন্তিু গাড়তিে চাপা দয়িে মানুষ মারলে তনি বছর সাজা হব।ে তাও অনকে কাঠখড় পুড়য়ি।ে দখো যাচ্ছ,ে মানুষ মারার শাস্তি বাঘ মারার শাস্তরি চয়েে কম। হায়রে মনুষ্য জনম, এই বঙ্গদশে!ে 


যধৎঁহথঢ়ৎবংং@ুধযড়ড়.পড়স

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন